ই-পেপার

জিয়াউর রহমান ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে ছাত্ররাজনীতি কলুষিত করেছিল : শিল্পমন্ত্রী আমু

নিজস্ব প্রতিবেদক | আপডেট: January 4, 2018

সূর্যালোক নিউজ : শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, এক সময় ছাত্ররাজনীতি ছিল সাধারণ মানুষের আশা-ভরসার স্থল। সব ধরনের আন্দোলন সংগ্রামে ছাত্র সংগঠনগুলো গৃরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু জিয়াউর রহমান সামরিক শাসনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে দীর্ঘদিন টিকে থাকার জন্য ছাত্রদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে ছাত্ররাজনীতি কলুষিত করেছিল। যার রেস এখনো চলছে।

শিল্পমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি’১৮) বিকালে ঝালকাঠির শিশুপার্কে জেলা ছাত্রলীগ আয়োজিত ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন। জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মো. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার মো. শাহ আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, শহর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র মো. লিয়াকত আলী তালুকদার, জেলা কৃষক লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান রসুল এবং আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপসি’ত ছিলেন।

শিল্পমন্ত্রী আমু বলেন, বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে সাধারণ মানুষের আস’া ও ভরসার স’ল ছিল ছাত্র রাজনীতি। কিন’ অস্ত্র, চাদাঁবাজী ও খুনা-খুনির কারনে জিয়াউর রহমানের আমল থেকেই সাধারণ মানুষ ছাত্র রাজনীতির ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া শুরু করে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে ছাত্র রাজনীতির হারানো গৌরব ও ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করতে হবে। আর এ জন্য ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতা-কর্মীকে পড়াশোনা করে মেধাবী হতে হবে।

আমির হোসেন আমু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রকল্প সফল করতে হলে ছাত্রলীগকে ডিজিটাল প্রযুক্তি বিষয়ে পড়াশোনা করে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থেকে ছাত্ররাজনীতি ও ছাত্রলীগ সর্ম্পকে মানুষের যে ভীতি রয়েছে তার দূর করতে হবে।

শিল্পমন্ত্রী আমু আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। আজকের ছাত্রসমাজকে আগামীতে সেই বাংলাদেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিতে হবে। এজন্য তাদেরকে সেইভাবে যোগ্য হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।

ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এর আগে শহরে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। এছাড়া কর্মসূচির মধ্যে ছিল : কেক কাটা, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, সংগঠন কার্যালয়ে জাতীয় ও সাংগঠনিক পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন